Skip to content

মধ্যপ্রাচ্যে সঙ্কট, জ্বালানি নিরাপত্তায় পশ্চিম আফ্রিকার পথে ভারত!

নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়ায় জ্বালানি সরবরাহে বড়সড় চাপের মুখে ভারত। ইরান ছাড় দিলেও হরমুজে এখনও ১৮টি ভারতীয় জাহাজ আটকে, অন্যদিকে আমেরিকা, রাশিয়া, কানাডা ও নরওয়ে থেকে এলপিজি আমদানিতে বিপুল পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নতুন বিকল্প উৎসের সন্ধানে নয়া দিল্লি। এই আবহে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলি থেকে এলপিজি আমদানি বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রে জানা গিয়েছে, নাইজেরিয়া, আলজেরিয়া, আঙ্গোলা-সহ পশ্চিম আফ্রিকার একাধিক দেশ থেকে এলপিজি আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি ক্যামেরুন, মোজাম্বিক ও গিনিয়া থেকেও এলএনজি সংগ্রহে জোর দিচ্ছে ভারত। মধ্যপ্রাচ্য-নির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে এই সিদ্ধান্ত ভারতের জ্বালানি আমদানি নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।হরমুজ প্রণালীর সঙ্কট এখনও পুরোপুরি কাটেনি। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও ১৮টির কাছাকাছি ভারতীয় জাহাজ উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে রয়েছে, যার মধ্যে একাধিক এলপিজি, অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি-বাহী ট্যাঙ্কার রয়েছে। গত কয়েক দিনে কয়েকটি জাহাজ নিরাপদে বেরিয়ে এলেও পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। নতুন করে খালি জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোও কার্যত বন্ধ রয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও প্রতিবেশী কূটনীতিতে পিছিয়ে নেই ভারত। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে ৭,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে। অসমের নিউমালিগড় রিফাইনারি থেকে এই জ্বালানি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এপ্রিল মাসে মোট ৪০ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপোতে পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুধু বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কাকেও জ্বালানি সহায়তা অব্যাহত রেখেছে ভারত। ইতিমধ্যেই ৩৮ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ হাজার মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ২০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল রয়েছে।

Latest