নিজস্ব সংবাদদাতা : লাগাতার সচেতনতামূলক প্রচারেও কোনও কাজ হচ্ছে না। বন্ধ করা যাচ্ছে না নাড়া পোড়ানো। তার জেরেই পুড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বিঘের পর বিঘে জমি। এমন চিত্র দেখা গেলো ঘাটাল মহকুমার তিনটি জায়গায়। আগুনে নষ্ট হলো বিঘার পর বিঘা পাকা ধান। এমন ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে কৃষকদের। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের একাংশের অভিযোগ, তাঁদের পাশের খেতে কেউ নাড়া পোড়াচ্ছিলেন। সেই আগুন থেকেই এমন বিপদ। আবার কিছু চাষির অভিযোগ, কেউ বা কারা ইচ্ছে করেই খেতের ধানে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রকোণার ক্ষীরপাই সংলগ্ন বুড়ির পুকুর মাঠে ধানের খেতে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে প্রায় ১৮ বিঘা জমির পাকা ধান। এলাকার কৃষক স্বপন পালের কথায়, 'পাশের খেতের নাড়ায় কেউ আগুন লাগিয়ে দেয়। সেই আগুন থেকেই আমার খেতের ধান পুড়ে গেল।দাসপুর-১ ব্লকের শ্যামসুন্দরপুর এলাকার খেতেও আগুন লাগে। কৃষকরা প্রাণপণ চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। একই ঘটনা ঘটেছে দন্দিপুর গ্রামেও। ঘাটাল ও মেদিনীপুর থেকে দমকলের ইঞ্জিন সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। মূলত সচেতনতার অভাবেই এই ঘটনা ঘটছে বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে জমির ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় মাথায় হতে পড়েছে অনেক চাষির।