বিশ্ব ক্রীড়া দিবসে দুর্গাপুরে বর্ণাঢ্য বাইক র্যালি, ক্রীড়ামন্ত্রীর বার্তা—‘এবার ভারতের জন্য গলা ফাটানোর সময়’!
নিজস্ব সংবাদদাতা : বিশ্ব ক্রীড়া দিবসকে সামনে রেখে খেলাধুলার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াতে এবং যুব সমাজকে ক্রীড়াক্ষেত্রে আরও বেশি উৎসাহিত করতে দুর্গাপুরে আয়োজিত হল বর্ণাঢ্য বাইক র্যালি। শনিবার সিটি সেন্টারের সিধু-কানু স্টেডিয়াম থেকে র্যালির সূচনা হয়। শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে এই বাইক র্যালি।র্যালিকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও যুবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খেলাধুলাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে যুব সমাজের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বার্তাই ছিল এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘড়ুই, দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক অঙ্কিতা আগরওয়াল-সহ প্রশাসনের আধিকারিক এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভারতীয় খেলাধুলার ভবিষ্যৎ নিয়ে বার্তা দেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তিনি বলেন, “এতদিন ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জন্য গলা ফাটানো হয়েছে, এবার সময় এসেছে ভারতবর্ষের জন্য গলা ফাটানোর।” তাঁর কথায়, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে।

সেই লক্ষ্যেই রাজ্য সরকার কাজ করে চলেছে।কলকাতায় আগামী দিনে বিশ্বমানের ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তবে ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়নকে শুধুমাত্র কলকাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। সুন্দরবন থেকে শিলিগুড়ি এবং দুর্গাপুর—রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকাতেও ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।দুর্গাপুরের ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়েও আশাবাদী বার্তা দেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তাঁর কথায়, দুর্গাপুরে একাধিক স্টেডিয়াম রয়েছে। সেগুলিকে আরও আধুনিক ও উন্নত করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিশ্ব ক্রীড়া দিবসকে ঘিরে এই বাইক র্যালির মাধ্যমে একদিকে যেমন শহরে ক্রীড়ার আবহ তৈরি হয়, অন্যদিকে ভারতীয় ক্রীড়াকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তাও উঠে আসে।