ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’-র চোখ রাঙানি অন্ধ্র উপকূলে, বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা! কবে নামবে পারদ?

ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’-র চোখ রাঙানি অন্ধ্র উপকূলে, বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা! কবে নামবে পারদ?
প্রতীকী ছবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা: ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়টির এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘মুরাসু’ (Cyclone Murasu)। এই নামটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য থেকে নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য গতিপথ অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে। তবে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আপাতত বড় কোনও দুর্যোগের পূর্বাভাস নেই বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ৩ নভেম্বর সকালে অন্ধ্রপ্রদেশের নেলোর থেকে আরসাকুড়ির মধ্যবর্তী উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থলভাগে প্রবেশের সময় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য গতিপথ অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আপাতত নেই। তবে এর পরোক্ষ প্রভাবে ১ থেকে ৩ নভেম্বর দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় আংশিক মেঘলা আকাশ এবং বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি হতে পারে। ভারী বৃষ্টির কোনও উল্লেখযোগ্য পূর্বাভাস আপাতত নেই।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কেটে যাওয়ার পর আকাশ পরিষ্কার হলে আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে। পরবর্তী সময়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২-২৩ ডিগ্রিতে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামেও রাতের তাপমাত্রা ২০-২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কাটলে বঙ্গে শীতের আমেজ কতটা বাড়ে, এখন সেদিকেই নজর।

\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\n\\\\n\\n\\n\n\n