নিজস্ব সংবাদদাতা : ৫ই মার্চ বৃহস্পতিবার, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি খড়গপুর-এ অনুষ্ঠিত হল প্রথম ‘ডিরেক্টর–ফ্যাকাল্টি ইন্টারঅ্যাকশন’ সেশন। সম্প্রতি যাঁরা প্রতিষ্ঠানের উচ্চতর একাডেমিক পদে উন্নীত হয়েছেন, তাঁদের নিয়ে এই বিশেষ বৈঠক ও হাই-টি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল অধ্যাপকদের নতুন একাডেমিক ও নেতৃত্বমূলক দায়িত্বে মসৃণভাবে অভ্যস্ত হতে সহায়তা করা এবং একই সঙ্গে গবেষণা ও শিক্ষাদানের পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করা।

ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে অনুষদের সংখ্যা বাড়ানো এবং দীর্ঘদিনের শূন্যপদ পূরণের জন্য ধারাবাহিকভাবে নির্বাচন কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলে বিপুল সংখ্যক নতুন অনুষদ সদস্য নিয়োগের পাশাপাশি বহু বিদ্যমান শিক্ষককে সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে উন্নীত করা হয়েছে।অল্প সময়ের মধ্যে এতগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গিয়ে প্রশাসনিক ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়তে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। অনেক বৈঠক দীর্ঘ সময় ধরে চললেও নিয়োগ দফতর এবং অনুষদ বিষয়ক ডিনের সক্রিয় সহযোগিতায় স্বচ্ছতা ও একাডেমিক মান বজায় রেখেই পুরো প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।এই ইন্টারঅ্যাকশন সেশনে সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক এবং সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে উন্নীত হওয়া শিক্ষকরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইআইটি খড়গপুরের পরিচালক সুমন চক্রবর্তী, ডিন (ফ্যাকাল্টি) সোমেশ কুমার সহ একাধিক একাডেমিক ডিন ও সহযোগী ডিন।বৈঠকে ইনস্টিটিউটের ভবিষ্যৎ কৌশল, উদীয়মান গবেষণার ক্ষেত্র এবং আন্তঃবিষয়ক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

পাশাপাশি উচ্চতর একাডেমিক পদে উন্নীত শিক্ষকদের দায়িত্ব সম্পর্কেও আলোকপাত করা হয়—যার মধ্যে রয়েছে পিএইচডি শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা দেওয়া, গবেষণা গোষ্ঠী পরিচালনা করা, প্রাতিষ্ঠানিক নীতি নির্ধারণে অংশগ্রহণ এবং উদ্ভাবন ও গবেষণার পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করা।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পরিচালক সুমন চক্রবর্তী বলেন, এই ধরনের পদোন্নতি শুধু ব্যক্তিগত কৃতিত্বের স্বীকৃতি নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক একাডেমিক মানও আরও উন্নত করে। তিনি উল্লেখ করেন, আইআইটি খড়গপুরে উচ্চতর একাডেমিক পদ মানেই বড় দায়িত্ব—যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের নেতৃত্ব দেওয়া এবং গবেষণা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি করা।