Skip to content

ISKCON-এর হাতে মিড-ডে মিল: ভাত, ডাল, সবজি, পনির-সয়াবিনে জোর, বাড়ছে বরাদ্দও!

অভিজিৎ সাহা: রাজ্যের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে মিড-ডে মিলের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য মিড-ডে মিলের উপকরণ খাতে মাথাপিছু বরাদ্দ ৬.৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভা এলাকার সরকারি স্কুলগুলিতে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প) মিড-ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে ISKCON-কে।
এই ঘোষণার পর থেকেই পড়ুয়াদের খাবারের মেনু নিয়ে নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিশেষত, ISKCON নিরামিষ খাদ্য পরিবেশন করে বলে ডিম বা আমিষ খাবারের পরিবর্তে কী দেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই প্রসঙ্গে কলকাতা ISKCON-এর সহ-সভাপতি রাধারমণ দাস জানান, দেশের আটটি রাজ্যের ২১-২২টি শহরে প্রতিদিন প্রায় ১২ লক্ষ পড়ুয়ার কাছে মিড-ডে মিল পৌঁছে দেয় ISKCON। সংশ্লিষ্ট রাজ্যের খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির চাহিদা মাথায় রেখেই মেনু নির্ধারণ করা হয়।বাংলার স্কুলগুলির জন্য প্রস্তাবিত মেনুতে থাকবে ভাত, ডাল, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ছানা, পনির, সয়াবিন, রাজমা এবং খিচুড়ি। একঘেয়ে খাবারের বদলে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বিভিন্ন পদ পরিবেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, সয়াবিন, রাজমা, পনির ও ছানার মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রোটিনের জোগান নিশ্চিত করা সম্ভব।রাধারমণ দাস আরও জানান, ISKCON-এর আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় রান্নাঘরে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে খাবার প্রস্তুত করা হয়। খাদ্যের গুণমান ও স্বাস্থ্যবিধিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ডায়েটিশিয়ানদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিনের মেনু নির্ধারণ করা হয়। প্রস্তুত খাবার বিশেষ সেফটি ট্যাগযুক্ত প্যাকেটে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হবে। কোনও প্যাকেটের সুরক্ষা ট্যাগ ভাঙা থাকলে সেই খাবার পরিবেশন না করার নির্দেশও থাকবে।উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মিড-ডে মিলের নিম্নমান, অপর্যাপ্ত উপকরণ এবং খাদ্যের গুণগত মান নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। নতুন সরকার বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং ISKCON-এর মতো অভিজ্ঞ সংস্থাকে যুক্ত করে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন আনতে চাইছে বলে মনে করছে শিক্ষা মহল।

Latest