Skip to content

মাতৃভাষার গৌরবে আলোকিত ঝাড়গ্রামের সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর!

1 min read

নিজস্ব সংবাদদাতা : ২১শে ফেব্রুয়ারির আবেগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে ২৪শে ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার গর্ব, শ্রদ্ধা ও সাংস্কৃতিক চেতনায় মুখর হয়ে উঠল সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত হল এক তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনাসভা, যেখানে শিক্ষার্থী থেকে শিক্ষক, আধিকারিক থেকে কর্মচারী—সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণে তৈরি হয় এক অনন্য বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ।

সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। প্রয়াত সাধু রামচাঁদ মুর্মুর মর্মর মূর্তি ও প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পাশাপাশি চারাগাছে জলসিঞ্চন ও অতিথি অভ্যর্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়, যা পরিবেশ ও সংস্কৃতির প্রতি দায়বদ্ধতার বার্তা বহন করে।অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংসদ কালিপদ সরেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্কিম পুরস্কার ও আনন্দ পুরস্কারপ্রাপ্ত সাহিত্যিক নলিনী বেরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. চন্দ্রদীপা ঘোষ, সুনীল মাহাত, ছত্রমোহন মাহাত, অধ্যাপক আলেসান্দ্রো ভেসকোভি, ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের জেলা শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুমন সাহু, অধ্যাপক অমিতাভ মিস্ত্রী, সিদ্ধার্থ সাঁতরা সহ শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দ।বক্তারা মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা, ভাষাগত বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা এবং প্রান্তিক ভাষাগুলির সংরক্ষণ ও চর্চার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে—ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির ভিত্তি।সমগ্র অনুষ্ঠান জুড়ে শিক্ষার্থীদের সংগীত পরিবেশন, আবৃত্তি এবং ভাষাভিত্তিক আলোচনা সভাকে প্রাণবন্ত করে তোলে। আবেগ, যুক্তি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এই আয়োজন হয়ে ওঠে স্মরণীয়।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি দায়বদ্ধতা ও গর্ববোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Latest