Skip to content

রামনবমীতে ঘাটালে দেবের পূজা, ‘ধর্ম ব্যক্তিগত—রাজনীতির রঙ নয়’ বার্তা সাংসদের!

সেখ ওয়ারেশ আলী : রামনবমী উপলক্ষ্যে শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের Ghatal মহকুমার কুশপাতা রাম মন্দিরে উপস্থিত হয়ে পূজা অর্চনা করলেন অভিনেতা-সাংসদ Dev। মন্দির চত্বরে ছিল উৎসবের আমেজ, ভক্তদের ভিড় এবং ধর্মীয় আবহে মুখর চারদিক। সেই পরিবেশেই ভক্তিভরে প্রার্থনায় অংশ নেন তিনি।পূজা শেষে মন্দির প্রাঙ্গণের মঞ্চে উঠে “জয় শ্রীরাম” ধ্বনি দেন দেব। তাঁর এই আহ্বানে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা আরও বেড়ে যায়।এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ধর্মীয় স্থানে যাওয়া নিয়ে ওঠা বিতর্কে স্পষ্ট অবস্থান জানান সাংসদ।

তিনি বলেন, “আমি একজন হিন্দু হিসেবে কোন মন্দিরে যাব, সেটা কি কোনও রাজনৈতিক দল ঠিক করে দেবে? এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়। ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার পালন করা আমার নিজের অধিকার।”রাজ্যের ধর্মীয় বৈচিত্র্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের রাজ্যে যত ধরনের পুজো হয়, এমন বহুমাত্রিক সংস্কৃতি অন্যত্র খুব কমই দেখা যায়। এখানে অসংখ্য দেবদেবীর আরাধনা করা হয়, যা আমাদের ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন।”ধর্ম ও রাজনীতির মিশ্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই কিছুটা কড়া সুরে প্রতিক্রিয়া দেন দেব।

তাঁর বক্তব্য, “আমি যদি একজন হিন্দু হিসেবে মন্দিরে যাই, সেটাকে কেন রাজনৈতিকভাবে দেখা হবে? ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো ঠিক নয়। ধর্ম মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের জায়গা—এটাকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়া উচিত নয়।”তিনি আরও বলেন, “রাম সবার। রামায়ণ রচনার সময় তো কোনও রাজনৈতিক দল ছিল না।

তাই রামকে কোনও নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ করা যায় না।”ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে দেবের সাফ বার্তা, “আমি মন্দিরে যাব না মসজিদে যাব, সেই স্বাধীনতা প্রত্যেক মানুষের রয়েছে। আমি আমার সেই স্বাধীনতাই ব্যবহার করেছি। রাম মন্দির কোনও এক ব্যক্তি বা দলের নয়—রাম আমাদের সকলের বিশ্বাসের কেন্দ্র।”দেবের এই বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি ধর্মকে ব্যক্তিগত পরিসরেই সীমাবদ্ধ রাখতে চান এবং তার সঙ্গে রাজনীতির অযথা মেলবন্ধনের বিরুদ্ধে সরব।

Latest