অভিজিৎ সাহা : একদিকে বাজারে আলুর দাম ধস, অন্যদিকে প্যাকেট বা বস্তার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি—এই দুই চাপে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চাষিরা। বর্তমানে একটি বস্তার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, যা সরাসরি উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে।কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে আলুর ন্যায্য দাম না পাওয়ায় আগেই লোকসানের মুখে তাঁরা। তার ওপর বস্তার লাগামছাড়া দাম তাঁদের আর্থিক সংকটকে আরও তীব্র করে তুলছে। আলু সংরক্ষণ ও বাজারজাত করতে বিপুল পরিমাণ বস্তার প্রয়োজন হয়, ফলে এই অতিরিক্ত খরচে লাভের অঙ্ক ক্রমশ কমে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহে ঘাটতির কারণেই বস্তার দাম হু হু করে বেড়েছে। তবে কৃষকদের দাবি, এই পরিস্থিতিতে দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ না হলে চাষের প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ছোট ও প্রান্তিক চাষিরা। তাঁদের অনেকেই ইতিমধ্যেই ঋণের বোঝা ও লোকসানের চাপে জর্জরিত। ফলে এই অতিরিক্ত খরচ ভবিষ্যতে আলু উৎপাদনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।বর্তমান পরিস্থিতিতে চাষিদের একটাই দাবি—বস্তার দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে এবং আলুর ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।