মায়ের সঙ্গে রক্তদানে জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, কেশিয়াদিতে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত!

মায়ের সঙ্গে রক্তদানে জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, কেশিয়াদিতে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত!

নিজস্ব সংবাদদাতা : পুলিশের উর্দির আড়ালেও রয়েছে এক মানবিক হৃদয়। সেই বার্তাই যেন আরও একবার তুলে ধরলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা। মায়ের উপস্থিতিতে নিজে রক্তদান করে কেশিয়াদিতে একটি রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করলেন তিনি। মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে জেলা পুলিশ সুপারের এই রক্তদানের মুহূর্ত অনুষ্ঠানে এক বিশেষ মানবিক আবহ তৈরি করে।শুক্রবার কেশিয়াদি থানার উদ্যোগে সুবর্ণভূমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত হয় এই রক্তদান শিবির। জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা নিজে রক্তদানের মাধ্যমে শিবিরের সূচনা করেন। তাঁর মা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও রক্তদানকে ঘিরে উৎসাহ দেখা যায়।রক্তের অভাবে যাতে কোনও মুমূর্ষু রোগীকে সংকটের মুখে পড়তে না হয়, সেই লক্ষ্যেই রক্তদানের মতো মহৎ উদ্যোগের গুরুত্ব অপরিসীম।

জেলা পুলিশ সুপারের নিজের হাতে রক্তদানের এই উদ্যোগ স্বেচ্ছায় রক্তদানে আরও বেশি মানুষকে উৎসাহিত করবে বলেই মনে করছেন অনেকে।শুধু রক্তদানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই কর্মসূচি। অনুষ্ঠানে অভাবী শিশুদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, নিজেদের কাজের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য পৌর স্বেচ্ছাসেবক ও গ্রাম্য পুলিশকর্মীদের সম্মানিত করা হয়। এর মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি কর্তব্যনিষ্ঠ কর্মীদের উৎসাহিত করার বার্তাও দেওয়া হয়।

পুলিশের ভূমিকা যে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা অপরাধ দমনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোও তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ—কেশিয়াদির এই কর্মসূচিতে সেই বার্তাই উঠে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও পুলিশের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।মায়ের উপস্থিতিতে জেলা পুলিশ সুপারের রক্তদান, অভাবী শিশুদের পোশাক বিতরণ এবং পুলিশকর্মীদের সম্মাননা—সব মিলিয়ে কেশিয়াদির এই কর্মসূচি মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।

\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\n\\\\n\\n\\n\n\n