Skip to content

ডেবরায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনে দেশাত্মবোধের আবহ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও শ্যামাপ্রসাদ স্মরণে বিশেষ অনুষ্ঠান!

নিজস্ব সংবাদদাতা : পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন সমিতি, ডেবরা প্রখণ্ডের উদ্যোগে শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা ব্লকের রাধামোহনপুরে অবস্থিত ‘বসন্ত ভিলা’-য় পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়। দিনভর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।সকাল ৮টা থেকে ‘বসন্ত ভিলা’ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিশাল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি রাধামোহনপুর শনি কালীমন্দির এবং শ্রীরামকৃষ্ণ মিলন মন্দির পরিক্রমা করে পুনরায় অনুষ্ঠানস্থলে ফিরে আসে।

এরপর সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ‘বসন্ত ভিলা’-য় মহাসমারোহে ভারত মাতা এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জনক, ভারত কেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তিতে মাল্যদান, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। উদ্বোধনী সংগীত হিসেবে পরিবেশিত হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কালজয়ী দেশাত্মবোধক সঙ্গীত ‘বন্দে মাতরম’।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দনীচক সংগঠনী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রী শংকর ভূঁঞ্যা, বিশিষ্ট শিক্ষক ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ডেবরা খণ্ডের প্রচার প্রমুখ শ্রী অদ্বৈত কুমার ভৌমিক, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মী ডা. শান্তনু সেন, প্রাবন্ধিক শ্রী সমীরণ ভৌমিক এবং মানব কল্যাণ সমিতির একনিষ্ঠ কর্মী ও সুবক্তা অধ্যাপক নির্মল মাইতি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংঘের কর্মী ডা. দীপক কুমার পাল-সহ এলাকার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শুভানুধ্যায়ীরা।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জীবনাদর্শ, তাঁর দেশপ্রেম এবং তাঁর স্বপ্নের পশ্চিমবঙ্গ গঠনের ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষায় তাঁর অবদানের কথাও তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অরিত্রী ভৌমিক ও শিশু শিল্পী সুকৃতি দাসের কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত ‘ও আমার দেশের মাটি, তোমার পায়ে ঠেকাই মাথা’ পরিবেশিত হয়। এই আবেগঘন সমাপনী সংগীতের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠান পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Latest