দীঘা স্টেশনের কাছে আড়াই ঘণ্টা আটকে এক্সপ্রেস, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা!

দীঘা স্টেশনের কাছে আড়াই ঘণ্টা আটকে এক্সপ্রেস, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা!

নিজস্ব সংবাদদাতা : দীঘা স্টেশন থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে টিকরা স্টেশনের কাছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জেরে বুধবার সকালে আটকে পড়ে ১২৮৫৭ আপ এক্সপ্রেস। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ট্রেনটি থমকে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর বিকল্প ইঞ্জিনের সাহায্যে ট্রেনটিকে দিঘা স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিট নাগাদ ট্রেনটি গন্তব্যে পৌঁছয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ট্রেনের ভিতরে আটকে থাকার পর অনেক যাত্রীর ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ট্রেন চলার অপেক্ষা না করে ব্যাগ ও অন্যান্য মালপত্র নিয়ে হেঁটেই দিঘা স্টেশনের দিকে রওনা দেন। কেউ কাঁধে ব্যাগ নিয়ে, কেউ মাথায় মালপত্র বহন করে এগিয়ে যান। আবার কয়েকজন টোটোয় চেপে গন্তব্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন। শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের পাশাপাশি ভারী মালপত্র নিয়ে যাতায়াতকারীদের দুর্ভোগ ছিল বেশি।এই ঘটনার প্রভাব পড়ে দিঘা রুটের অন্যান্য ট্রেন চলাচলেও। ডাউন তাম্রলিপ্তি এক্সপ্রেস এবং আপ-ডাউন কান্দারি এক্সপ্রেসের পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

পাশাপাশি, মেছেদা থেকে দিঘাগামী আপ লোকাল ট্রেনটিও সমস্যায় পড়ে। দীঘায় ঢুকতে না পারায় ট্রেনটির চলাচল প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বিত হয় বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর যাত্রীরা রেল পরিষেবা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের বক্তব্য, ট্রেন দেরিতে চলা এক বিষয়, কিন্তু গন্তব্যের এত কাছে পৌঁছেও দীর্ঘ সময় আটকে থাকা এবং মালপত্র নিয়ে হেঁটে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অত্যন্ত দুর্ভোগের। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে যাত্রা করা যাত্রীদের পক্ষে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বুধবার দীঘা রুটে রেল চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বহু যাত্রীকে সমস্যায় পড়তে হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত বিকল্প পরিবহণের কোনও ব্যবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\\\\\n\\\\n\\\\n\\n\\n\n\n