Skip to content

২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে চমক! প্রার্থী হতে আবেদন দিলেন দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার!

1 min read

সেখ ওয়ারেশ আলী : ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। দলগুলির অন্দরে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া জোরদার হওয়ার মধ্যেই নতুন জল্পনা উস্কে দিলেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা দিলীপ ঘোষের স্ত্রীর রিঙ্কু মজুমদার। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে নিজের বায়োডাটা জমা দিয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর, বীজপুর এবং নিউ টাউন—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ জানিয়ে রাজ্য দপ্তরে আবেদন করেছেন তিনি। ভোটের আগে প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাওয়ায় তাঁর এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে রিঙ্কু মজুমদার জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।

নিয়মিত দলীয় কাজে অংশগ্রহণ করেছেন এবং সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলেছেন। তাঁর কথায়, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কর্মীদের সুযোগ না দেওয়া হলে তা হতাশাজনক হবে। তবে তিনি আশাবাদী, দল কর্মীদের মূল্যায়ন করবে এবং যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবে। তাঁর বক্তব্যে যেমন আত্মবিশ্বাসের ছাপ রয়েছে, তেমনই দলীয় নেতৃত্বের প্রতি প্রত্যাশার সুরও স্পষ্ট। এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ সংযত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, প্রার্থী হওয়ার জন্য বহু আবেদন জমা পড়েছে, যা দলের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অংশ। শেষ পর্যন্ত দলীয় নেতৃত্বই সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে—কে প্রার্থী হবেন আর কে হবেন না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নির্বাচনের আগে বিজেপির অন্দরে প্রার্থী বাছাই ঘিরে তৎপরতা ক্রমেই বাড়ছে। বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা তুলে ধরে টিকিটের দৌড়ে নামছেন। সেই প্রেক্ষাপটে রিঙ্কু মজুমদারের আবেদন ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এখন নজর দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। বিজেপি নেতৃত্ব শেষ পর্যন্ত কাকে নির্বাচনী ময়দানে নামায় এবং রিঙ্কু মজুমদার সুযোগ পান কি না—সেটাই আগামী দিনের বড় প্রশ্ন।

Latest

বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি অধিকারের গুরুত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা, উপস্থিত হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা উপাচার্য!