Skip to content

“সব সমস্যার সমাধান একা সম্ভব নয়”— ভোটের আগে স্পষ্ট বার্তা অভিনেতা কৌশিক সেন-এর

1 min read

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আবহ যত ঘনাচ্ছে, ততই সাধারণ ভোটার থেকে বিশিষ্টজন— সকলের মতামত উঠে আসছে জনচর্চার কেন্দ্রে। সেই আবহেই নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবনা স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরলেন অভিনেতা কৌশিক সেন। তিনি জানালেন, যদি কখনও বিধায়ক হওয়ার সুযোগ আসে, তাহলে এলাকার মানুষকে প্রথমেই সৎভাবে বলবেন— “আমি সব সমস্যার সমাধান করতে পারব না।”এক সাক্ষাৎকারে ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরে কৌশিক সেন বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন। তাঁর মতে, ভোটের ক্ষেত্রে তিনি ব্যক্তি নয়, দলকেই বেশি গুরুত্ব দেন। কারণ একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক দর্শন ও প্রশাসনিক রূপরেখাই রাজ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেলে তিনি কী করতেন— সেই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতার বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, সব সমস্যা একসঙ্গে মেটানো সম্ভব নয়। বরং এলাকার সবচেয়ে জরুরি সমস্যাগুলিকে চিহ্নিত করে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। তাঁর এই বাস্তববাদী অবস্থান অনেকের কাছেই রাজনৈতিক সততার উদাহরণ হিসেবে ধরা পড়ছে।শুধু তাই নয়, ভাতা-নির্ভর রাজনীতির বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন কৌশিক। তাঁর মতে, ভাতা সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে সমাজের উন্নতি ঘটায় না। বরং কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো মৌলিক ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করাই হওয়া উচিত সরকারের অগ্রাধিকার।বিরোধীশূন্য রাজনীতিকে তিনি গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক বলেও মন্তব্য করেছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, সুস্থ গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে শক্তিশালী বিরোধী শক্তি অত্যন্ত প্রয়োজন, যারা শাসকদলের জবাবদিহি নিশ্চিত করবে।
কৌশিক সেনের এই মন্তব্য শুধু এক জন অভিনেতার ব্যক্তিগত মত নয়, বরং ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক বাস্তবতার এক সৎ প্রতিফলন। মানুষের প্রত্যাশা আর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির মধ্যে যে ব্যবধান থাকে, তা নিয়ে তাঁর সরাসরি স্বীকারোক্তি নিঃসন্দেহে আলোচনার নতুন দিশা দেখাবে।

Latest