যাতায়াতের চিন্তা দূর করে ঠাকুর দর্শন, বিধায়কের উদ্যোগে খুশি ১৯৮ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা
নিজস্ব সংবাদদাতা: বয়সের ভারে পুজো মণ্ডপে যাওয়া কঠিন হলেও শারদোৎসবের আনন্দ থেকে দূরে থাকতে হল না প্রবীণদের। তাঁদের মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন মেদিনীপুরের বিধায়ক শঙ্কর কুমার গুছাইত। বয়সের ভারে যাঁদের পক্ষে পুজো মণ্ডপে পৌঁছনো কঠিন, তাঁদের জন্য বিনামূল্যে ঠাকুর দর্শন, টোটো পরিষেবা এবং মিষ্টিমুখের ব্যবস্থা করা হয়। বিধায়কের এই উদ্যোগে উপকৃত হয়েছেন মোট ১৯৮ জন প্রবীণ মানুষ।উদ্যোক্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত চার দিনের এই কর্মসূচিতে প্রথম দিন ৪০ জন, অতিরিক্ত সপ্তমীতে ৪২ জন, অষ্টমীতে ৫৭ জন এবং নবমীতে ৫৯ জন প্রবীণ ঠাকুর দেখার সুযোগ পান। বয়সজনিত সমস্যা ও শারীরিক অসুবিধার কারণে অনেক প্রবীণ মানুষ ইচ্ছা থাকলেও পুজো মণ্ডপে যেতে পারেন না। তাঁদের সেই আক্ষেপ দূর করতেই এই উদ্যোগ। টোটো পরিষেবার মাধ্যমে প্রবীণদের ঠাকুর দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়, যাতে যাতায়াতের চিন্তা ছাড়াই তাঁরা উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।শুধু ঠাকুর দেখানো নয়, প্রবীণদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া এবং তাঁদের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা দেওয়াও ছিল এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। উপকৃত প্রবীণদের মধ্যে এই উদ্যোগ ঘিরে খুশির পরিবেশ তৈরি হয়।উৎসবের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ তাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। মেদিনীপুরে বিধায়ক শঙ্কর কুমার গুছাইতের এই উদ্যোগ সেই মানবিক বার্তাই তুলে ধরল।