দুয়ারে সরকারের নতুন কর্মসূচি নিয়ে পর্যবেক্ষণ করলেন জেলা শাসক খুরশিদ আলী কাদরী ও পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার সহ প্রশাসনের আধিকারিকেরা!

দুয়ারে সরকারের নতুন কর্মসূচি নিয়ে  পর্যবেক্ষণ করলেন জেলা শাসক খুরশিদ আলী কাদরী ও পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার সহ প্রশাসনের আধিকারিকেরা!

পশ্চিম মেদিনীপুর নিজস্ব সংবাদদাতা : দুয়ারে সরকারের নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা শাসক খুরশিদ আলী কাদরী ও পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার সহ প্রশাসনের আধিকারিকেরা।শনিবার এমনই একটি ক্যাম্প পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় ব্লকের এমনই একটি ক্যাম্পে কাশিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মেটিয়া জনকল্যাণ হাইস্কুলের মাঠে আয়োজিত হয়েছিল। নির্দেশ অনুযায়ী জেলার কর্মসূচি গুলি খতিয়ে দেখতে ক্যাম্পে হাজির হয়েছিলেন প্রশাসনের আধিকারিকদের।জেলাতে ৪৫ হাজার ক্যাম্প হবে ১২ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এসসি, এসটি এবং মাইনোরিটি এলাকা গুলিতে। প্রতিবন্ধী, মানবিক, কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভান্ডার সহ ২১ টি প্রকল্পের উপরে আবেদন করতে পারবেন এলাকার মানুষজন। তাদের সমস্যা কি রয়েছে তা খোঁজ খবর নেবেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। গ্রামের চাটাই বা ত্রিপল পেতে বসবেন প্রশাসনের কর্তারা। সেখানে আসা এলাকার মানুষজন তাদের সমস্যার কথা জানাবেন প্রশাসনের আধিকারিকদের। রাস্তা, স্কুল সংস্কারসহ একাধিক বিষয়ের জানাতে পারবেন এলাকার বাসিন্দারা। সেইসব সমস্যা লিপিবদ্ধ করে জেলা শাসকের কাছে পাঠিয়ে দেবেন আধিকারিকেরা। সমস্যা বিবেচনা করে সমাধানের জন্য ব্যবস্থা নেবেন জেলা শাসক। জেলাশাসক খুরশিদ আলী কাদরি বলেন, "শনিবার থেকে শুরু হওয়া সমস্যার সমাধান জনসংযোগ কর্মসূচিতে নারায়ণগড়ে লোধা গ্রামে গিয়ে কথা বলে এসেছি। প্রতিটি ক্যাম্পে তিনজন করে আধিকারিক থাকবেন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। ২১ টি প্রকল্পের উপরে আবেদন করতে পারবেন এলাকার মানুষেরা তার সাথে সমস্যা জানাতে পারবেন। সেই সব সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।" পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার বলেন, "নির্দেশ অনুযায়ী প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষদের সমস্যার কথা শুনতে যাওয়া হয়েছিল।