হলদিয়া-নন্দীগ্রাম ফেরি পরিষেবায় নতুন সংযোজন, চালু ইলেকট্রিক ভেসেল!
নিজস্ব সংবাদদাতা : দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। সামনেই দুর্গাপুজো। তবে তার আগেই হলদি নদীতে চালু হয়ে গেল ব্যাটারিচালিত ইলেকট্রিক ক্যাটামারিন ভেসেল পরিষেবা। হলদি নদীতে চালু হল ইলেকট্রিক ভেসেল পরিষেবা। সোমবার সকাল থেকেই হলদিয়া ও নন্দীগ্রামের মধ্যে ফেরি পরিষেবায় যুক্ত হল আধুনিক এই ইলেকট্রিক ভেসেল। নতুন পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে স্কুলপড়ুয়া ও অফিসযাত্রীরা।হলদিয়া ও নন্দীগ্রামের মধ্যে জলপথে যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল ফেরি পরিষেবা। এতদিন লঞ্চের মাধ্যমে যাতায়াত করতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এবার সেই পরিষেবায় যুক্ত হল ইলেকট্রিক ভেসেল। উদ্যোক্তাদের দাবি, নতুন ভেসেলের মাধ্যমে আগের তুলনায় দ্রুত ও আরামদায়কভাবে নদী পারাপার করতে পারবেন যাত্রীরা।সোমবার সকালে হলদি নদীর ঘাটে ভেসেলটিকে ফুল ও বেলুন দিয়ে সাজানো হয়। প্রথম দিন থেকেই ভেসেলে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। স্কুলপড়ুয়া, চাকরিজীবী থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষকে সকাল থেকেই ভেসেলে ওঠার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়।জানা গিয়েছে, ভেসেলটিতে মোট ৫০টি আসন রয়েছে। সম্পূর্ণ ভেসেলটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় গরমের সময়েও যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন। পাশাপাশি সাইকেল ও বাইক নিয়ে যাতায়াতকারী যাত্রীদের জন্যও রয়েছে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা।প্রাথমিকভাবে একজন যাত্রীর ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। সাইকেলের জন্য অতিরিক্ত ৫ টাকা এবং বাইকের জন্য ২৫ টাকা দিতে হবে। পরবর্তী সময়ে ভাড়ার কাঠামোয় পরিবর্তন হতে পারে বলে সূত্রের খবর।নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, হলদিয়া থেকে প্রথম ভেসেল ছাড়বে ভোর ৪টা ২০ মিনিটে এবং নন্দীগ্রাম থেকে প্রথম ভেসেল ছাড়বে ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে। দিনের শেষ ভেসেল হলদিয়া থেকে রাত ১১টায় এবং নন্দীগ্রাম থেকে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ছাড়বে বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়ার মধ্যে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করেন। বিশেষ করে কর্মসূত্রে হলদিয়া যাওয়া মানুষ এবং পড়ুয়াদের কাছে এই জলপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন ইলেকট্রিক ভেসেল পরিষেবা চালু হওয়ায় তাঁদের যাতায়াত আরও দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।