Skip to content

ভারত–রাশিয়া শিক্ষায় নতুন দিগন্ত — আইআইটি খড়গপুর ও সেন্ট পিটার্সবার্গ মাইনিং ইউনিভার্সিটির ঐতিহাসিক চুক্তি!

1 min read

নিজস্ব সংবাদদাতা : উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পথে বড় পদক্ষেপ নিল আইআইটি খড়গপুর। এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে রাশিয়ার প্রখ্যাত সম্রাজ্ঞী ক্যাথেরিন সেন্ট পিটার্সবার্গ মাইনিং ইউনিভার্সিটি-র সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গড়ে উঠল কৌশলগত একাডেমিক অংশীদারিত্ব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট পিটার্সবার্গ মাইনিং ইউনিভার্সিটির রেক্টর অধ্যাপক ভ্লাদিমির লিটভিনেঙ্কো এবং আইআইটি খড়গপুরের পরিচালক অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী।

দুই পক্ষই উচ্চশিক্ষা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত ও রাশিয়া-র সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। অনুষ্ঠানে আইআইটি খড়গপুরের একাধিক শীর্ষ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ডিন অধ্যাপক আনন্দরূপ ভট্টাচার্য, রাবার প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক কিনসুক নস্কর, মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক বি. বি. মন্ডল, পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিং সেন্টার অফ এক্সিলেন্স-এর চেয়ারপারসন অধ্যাপক সন্দীপ কুলকার্নি, ভূতত্ত্ব ও ভূপদার্থবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দীপ কুমার সিংহ, রাসায়নিক প্রকৌশলের সহকারী অধ্যাপক সুবের্না ত্রিবেদী এবং সমন্বয়কারী পরেশ নাথ সিংহ রায় এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অন্যদিকে, সেন্ট পিটার্সবার্গ মাইনিং ইউনিভার্সিটির তরফে ভাইস রেক্টর অধ্যাপক এভজেনি এ. লুবিন ও প্রতিনিধি অধ্যাপক মাকসিম গ্লাজেভ উপস্থিত ছিলেন।এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হল ছাত্র ও গবেষকদের বিনিময় কর্মসূচি চালু করা, যৌথ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অনুষদ বিনিময় এবং শিক্ষার্থী ও কর্মরত পেশাজীবীদের জন্য যৌথ একাডেমিক প্রোগ্রাম তৈরি করা। মাইনিং ও পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিং, রাবার প্রযুক্তি, যান্ত্রিক ও রাসায়নিক প্রকৌশল, ভূতত্ত্ব, ভূপদার্থবিদ্যা এবং শক্তি ও পৃথিবী বিজ্ঞানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ—এই সব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুই প্রতিষ্ঠানের উন্নত গবেষণা অবকাঠামো ও দক্ষতাকে কাজে লাগানো হবে।দীর্ঘদিনের ভারত-রাশিয়া বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রচলিত কয়লা ও পেট্রোলিয়াম সম্পদ থেকে শুরু করে শক্তি পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ খনিজ—ক্রমবর্ধমান শক্তি চাহিদা মোকাবিলায় এই অংশীদারিত্ব বড় অবদান রাখতে পারে।

Latest