Skip to content

মহাশিবরাত্রিতে চন্দ্রকোনারোড মহাশ্মশানে নবনির্মিত আটচালার উদ্বোধন, উৎসবের আবহ এলাকাজুড়ে!

1 min read

অভিজিৎ সাহা : পবিত্র মহাশিবরাত্রির শুভক্ষণে রবিবার বিকেল ৪টায় চন্দ্রকোনারোড মহাশ্মশানের কালী মন্দির প্রাঙ্গণে নবনির্মিত আটচালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। সাতবাঁকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অর্থানুকূল্যে নির্মিত এই পরিকাঠামো ভবিষ্যতে এলাকার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, সামাজিক কর্মসূচি এবং বিভিন্ন সামষ্টিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত অতিথিরা।অনুষ্ঠানের সূচনা হয় পূজা, অর্চনা ও মঙ্গলাচরণের মধ্য দিয়ে। ভক্তিমূলক সঙ্গীত ও শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মহাশ্মশান চত্বর। পরে ফিতে কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে আটচালার শুভ উদ্বোধন করেন পাঁচ নম্বর সাতবাঁকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনিকাঞ্চন রায়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন,“মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র দিনে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই এই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানকার ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে বলে আশা করি।

গড়বেতা-৩  পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চিন্ময় সাহা তাঁর বক্তব্যে বলেন,“এই আটচালা শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি এলাকাবাসীর মিলনমঞ্চ হিসেবেও কাজ করবে। সামগ্রিক উন্নয়নের ধারায় এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।”৬ নম্বর শংকরকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জ্ঞানাঞ্জন মন্ডল বলেন,“সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই কাজ সফল হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে একযোগে কাজ করার মানসিকতা বজায় থাকবে।”চন্দ্রকোনারোড মহাশ্মশান কমিটির পক্ষ থেকে বিশিষ্ট সমাজসেবী রামচন্দ্র পাল ও দীপঙ্কর নিয়োগী বক্তব্য রাখেন। তাঁরা গরবেতা ৩ পঞ্চায়েত সমিতি ও সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তাঁদের মতে, এই নতুন পরিকাঠামো গড়ে ওঠায় শ্মশান প্রাঙ্গণে আগত সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন আরও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রকোনারোড মহাশ্মশান কমিটির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার বহু বাসিন্দা। ভক্তিমূলক পরিবেশ, শঙ্খধ্বনি ও উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে গোটা পরিবেশ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই মহাশ্মশান প্রাঙ্গণে একটি স্থায়ী আটচালার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল। অবশেষে সেই চাহিদা পূরণ হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে সন্তোষের সুর স্পষ্ট। মহাশিবরাত্রির পবিত্র তিথিতে এই উদ্বোধন অনুষ্ঠান এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল বলেই মনে করছেন অনেকেই।

Latest