নিজস্ব সংবাদদাতা : রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কোনও ধরনের মজুতদারি রুখতে আদর্শ কার্যপদ্ধতি (এসওপি) জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালাতে জেলা প্রশাসনগুলিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই নির্দেশিকা জারির পরই জেলাগুলিতে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে। শনিবার আসানসোলের একাধিক এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের অফিস ও গুদামে হানা দেয় মহকুমা প্রশাসন ও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিকদের একটি দল।এদিন আসানসোলের এসবি গরাই রোড, জিটি রোডের এলআইসি মোড় এবং মুর্গাশোল এলাকায় থাকা এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের অফিস ও গুদাম পরিদর্শন করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন আসানসোল সদর মহকুমাশাসক বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, এসিপি (এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ) মহম্মদ হারুন এবং এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের অন্যান্য আধিকারিকরা। পরিদর্শনের সময় গ্যাস সিলিন্ডারের মজুতের পরিমাণ খতিয়ে দেখা হয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি গ্রাহক ও পরিবেশকদের সঙ্গেও কথা বলেন আধিকারিকরা।মহকুমাশাসক বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য জানান, পরিবেশকদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে কোনও অবস্থাতেই হাসপাতাল, স্কুল এবং আইসিডিএস কেন্দ্রগুলিতে গ্যাস সরবরাহে যেন কোনও ব্যাঘাত না ঘটে। কেউ যদি কৃত্রিমভাবে সিলিন্ডার মজুত করে বাজারে সংকট তৈরি করার চেষ্টা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।