চুয়াড় বীর গোবর্ধন দিকপতির স্মৃতিবিজড়িত আমশোলে বিধায়ক বিমান মাহাতোর পতাকা উত্তোলন!

চুয়াড় বীর গোবর্ধন দিকপতির স্মৃতিবিজড়িত আমশোলে বিধায়ক বিমান মাহাতোর পতাকা উত্তোলন!

অভিজিৎ সাহা : স্বাধীনতা দিবসে শালবনীর বিধায়ক বিমান মাহাতোর পতাকা উত্তোলনের জন্য গরবেতা ৩ নম্বর ব্লকের প্রত্যন্ত আমশোল গ্রামকে বেছে নেওয়াকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ। কারণ, এই আমশোলের মাটিই চুয়াড় বিদ্রোহের অন্যতম বীর যোদ্ধা ও স্বাধীনতা সংগ্রামী গোবর্ধন দিকপতির আত্মত্যাগের স্মৃতি বহন করে।স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমশোলে এসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন শালবনীর বিধায়ক বিমান মাহাতো এবং গরবেতা ৩ নম্বর ব্লকের বিডিও দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী সুশান্ত কারক-সহ এলাকার অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।চুয়াড় বিদ্রোহের সময় ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে এই এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন গোবর্ধন দিকপতি।

ব্রিটিশদের কাছে আত্মসমর্পণ না করে এই মাটিতেই তিনি প্রাণ বিসর্জন দেন বলে স্থানীয় ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে। সেই বীরের আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত ভূমিকে শ্রদ্ধা জানাতেই স্বাধীনতা দিবসে আমশোলে পতাকা উত্তোলনের উদ্যোগ বলে জানা যায়।অনুষ্ঠানে বিধায়ক বিমান মাহাতো আমশোলের ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং গোবর্ধন দিকপতির আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। পাশাপাশি এই ঐতিহাসিক ভূমিতে গোবর্ধন দিকপতির একটি আবক্ষ মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। এলাকার রাস্তাঘাট-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দেন বিধায়ক।স্বাধীনতা দিবসে আমশোলের মাটিতে এই পতাকা উত্তোলন তাই শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়। চুয়াড় বিদ্রোহের বীরদের আত্মত্যাগ ও এলাকার ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।