বীরসিংহে মুখ্যমন্ত্রীর সফর, নজরে ঘাটালের জলবন্দি জনপদ!
নিজস্ব সংবাদদাতা : একদিকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের স্মৃতিবিজড়িত বীরসিংহ, অন্যদিকে টানা বৃষ্টি ও নদীর জল বাড়ায় জলবন্দি ঘাটালের বিস্তীর্ণ জনপদ। এই দুই পরিস্থিতির আবহেই বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আজ মোহনপুরে এসে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মোহনপুরের অরুণা এলাকায় তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে ঘাটালের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের তরফে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অস্থায়ী হেলিপ্যাড এলাকা ঘিরে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা নজরদারি। ঘটনাস্থলে রয়েছেন ঊর্ধ্বতন পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা।মুখ্যমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মোহনপুর থেকে ঘাটাল—সর্বত্রই প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি ঘিরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আসতে পারে বলে প্রশাসনিক মহলে নজর রয়েছে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর সফরের দিন বীরসিংহের অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসবের আবহের পাশাপাশি প্রশাসনের নজরে থাকছে ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতিও। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি এবং শিলাবতী নদীর জলস্তর বৃদ্ধির জেরে ঘাটাল ও চন্দ্রকোনার বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। ঘাটাল পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডের পাশাপাশি সংলগ্ন গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও কৃষিজমির বিস্তীর্ণ অংশ জলের তলায় চলে গিয়েছে। কোথাও কোথাও যাতায়াতের প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে নৌকা।এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক মহলে জল্পনা রয়েছে, বীরসিংহের কর্মসূচির পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আকাশপথে ঘাটালের বন্যাকবলিত এলাকাগুলির পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে পারেন। অনুষ্ঠানস্থলের কাছেই হেলিপ্যাড প্রস্তুত রাখার বিষয়টিও সেই সম্ভাবনাকে ঘিরে আলোচনা বাড়িয়েছে।যদিও বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা হয়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত সম্ভাবনা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।