প্রতিমা বিসর্জনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে গান্ধী ও ডিএভি ঘাট পরিদর্শনে প্রশাসন!
সেখ ওয়ারেশ আলী : কলকাতার চোরবাগান মণ্ডপে সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার পর প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে প্রশাসন। সেই কথা মাথায় রেখে প্রতিমা বিসর্জন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিল মেদিনীপুর পৌরসভা, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন।এবার প্রথাগত ক্রেনের পরিবর্তে রিমোট-নিয়ন্ত্রিত ট্রলি মেশিন ও হাইড্রোলিক পদ্ধতির সাহায্যে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর ফলে বিসর্জনের সময় মানুষের শারীরিক পরিশ্রম কমার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।বিসর্জনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে রবিবার মেদিনীপুর শহরের গান্ধী ঘাট ও ডিএভি ঘাট পরিদর্শন করেন জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা, পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা এবং মেদিনীপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান সৌমেন খান-সহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা।

পরিদর্শনের সময় ঘাটগুলির পরিকাঠামো, বিসর্জনের প্রস্তুতি, আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। বিসর্জনের সময় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত পুলিশি নজরদারি, দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে প্রতিমা বিসর্জনকে আরও সহজ ও নিরাপদ করে তোলা। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং নির্বিঘ্নে বিসর্জন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগে বিসর্জন পর্বে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।