নিজস্ব সংবাদদাতা : হিমাচল প্রদেশের কাঙরাতে শোকস্তব্ধ পরিবেশে শেষ বিদায় জানানো হল উইং কমান্ডার নমনশ শিয়ালকে।বীরপুত্রের মৃত্যুর খবর কাংড়া উপত্যকায় পৌঁছতেই শোকের ঢেউ লাগে। গ্রামের মানুষজন গভীর রাত পর্যন্ত শ্যাল পরিবারের বাড়ির বাইরে জড়ো হন। শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১০ মিনিট নাগাদ দুবাইয়ের আল মাকতৌম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আছড়ে পড়ে ভারতীয় বায়ুসেনার তেজস যুদ্ধবিমান।

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় পাইলটের। দুবাই এয়ার শো চলাকালীন শহীদ পাইলটের মৃতদেহ রবিবার হিমাচল প্রদেশের কাংড়ায় তাঁর পৈতৃক গ্রাম পাতিয়ালকারে আনা হয়। রবিবার সেখানেই উইং কমান্ডার আফশান তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্বামী উইং কমান্ডার নমনশ সায়লকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

রবিবার পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় দাহ করা হয় তাঁর দেহ। মাত্র ৩৪ বছরের এই মেধাবী পাইলট হিমাচল প্রদেশের কাংড়া জেলার পাতিয়ালকার গ্রামের বাসিন্দা। নমংশ সেয়ালের শেষ কথোপকথন আজ পরিবারের মনে ঝড় তোলে। নিজের বাবা, অবসরপ্রাপ্ত স্কুলপ্রধান জগন্নাথ সেয়ালকে তিনি বলেছিলেন— “এয়ারশো দেখেছ তো? টিভি বা ইউটিউবে দেখে নিও।” সেই কথাই বাবার কাছে শেষ স্মৃতি হয়ে রইল।

নমংশ শ্যালের বাবা, জগন নাথ, একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিক, যিনি পরে হিমাচল প্রদেশ শিক্ষা বিভাগে প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত ছিলেন, এবং তাঁর মা বীণা দেবী এই দুর্ঘটনার সময় তাঁদের পুত্র এবং পুত্রবধূকে দেখতে হায়দ্রাবাদে গিয়েছিলেন। তাঁদের পারিবারিক বাড়ি গত কয়েকদিন ধরে তালাবন্ধ ছিল। এই মর্মান্তিক খবরে গ্রামে নামে শোকের ছায়া।