নিজস্ব সংবাদদাতা : শিক্ষার উৎকর্ষতা ও মূল্যবোধকে সম্মান জানাতে গ্রিফিন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে আয়োজিত হল এক জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। ‘অল ইন্ডিয়া সেকেন্ডারি স্কুল এক্সামিনেশন’ (AISSE) ২০২৬-এ অসাধারণ ফল করা শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করতে এই আয়োজন যেন পরিণত হয়েছিল গর্ব, আবেগ এবং অনুপ্রেরণার এক মিলনমেলায়।

বিদ্যালয়ের সুশোভিত প্রাঙ্গণে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত কৃতী পড়ুয়াদের মঞ্চে ডেকে নেওয়ার মুহূর্ত ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা স্মারক, যা তাঁদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি বহন করে। উপস্থিত দর্শকদের করতালিতে বারবার মুখর হয়ে ওঠে গোটা প্রাঙ্গণ।অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের বক্তব্য।

নিজেদের শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতা, সংগ্রামের গল্প এবং সাফল্যের অন্তরালের কঠিন পথচলার কথা তারা তুলে ধরে। তাঁদের কথায় ফুটে ওঠে আত্মবিশ্বাস, কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতের প্রতি অটল প্রত্যয়।শিক্ষার্থীরা তাঁদের এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের অবদানের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করে। তাঁদের মতে, শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং অভিভাবকদের অবিচল সমর্থনই এই সাফল্যের মূল ভিত্তি।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ প্রদীপ কুমার সামল শিক্ষার্থীদের সাফল্যে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, শুধুমাত্র একাডেমিক কৃতিত্ব নয়, জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে চরিত্রগঠন, নৈতিকতা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

চেয়ারম্যান অভিষেক কুমার যাদবও তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের দৃঢ় মানসিকতা ও সাফল্যের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই অর্জন কেবল একটি পরীক্ষার ফল নয়, বরং ভবিষ্যতের বড় স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ।সমগ্র অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি সংবর্ধনা নয়, বরং আগামী প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। গ্রিফিন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আবারও প্রমাণ করল, তারা কেবল শিক্ষার কেন্দ্র নয়—মানবিকতা, মূল্যবোধ ও উৎকর্ষের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।