বন্দে মাতরম্ শুধু গান নয়, জাতির চেতনা ও প্রেরণা: মেদিনীপুর কলেজে জাতীয় স্তরের আলোচনা সভা!
নিজস্ব সংবাদদাতা: বন্দে মাতরম্ শুধু একটি গান নয়, এটি জাতির চেতনা ও প্রেরণার অন্যতম প্রতীক—এই ভাবনাকে সামনে রেখে মেদিনীপুর কলেজের রানী শিরোমণি সভাগৃহে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় স্তরের একদিনের আলোচনা সভা। ‘এবিআরএসএম (উচ্চশিক্ষা)’ পশ্চিম মেদিনীপুরের উদ্যোগে আয়োজিত এই আলোচনা সভার মূল বিষয় ছিল ‘সার্ধশতবর্ষে বন্দে মাতরম্—শুধু গান নয়, এ জাতির চেতনা, এ আমাদের প্রেরণা’।সকাল ১১টায় সরস্বতী বন্দনা, প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং বন্দে মাতরম্ সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানিত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুর, নারায়ণগড় ও দাঁতন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ড. শঙ্কর কুমার গুচ্ছাইত, রমাপ্রসাদ গিরি ও অজিত কুমার জানা,বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বাণীরঞ্জন দে, আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক অনুপ কুমার দে,মেদিনীপুর কলেজের অধ্যক্ষ ড. অসিত পাণ্ডা।আলোচনা সভায় বক্তারা বন্দে মাতরম্ সংগীতের ঐতিহাসিক তাৎপর্য, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্বদেশচেতনা, দেশভাগের প্রেক্ষাপট এবং বর্তমান সমাজে জাতীয়তাবোধের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বক্তাদের আলোচনায় উঠে আসে কীভাবে সাহিত্য ও সংগীত স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় মানুষের মধ্যে দেশাত্মবোধ ও আত্মপরিচয়ের চেতনা জাগিয়ে তুলেছিল।অনুষ্ঠানে পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন কলেজের অধ্যাপক ও অধ্যাপিকা মিলিয়ে প্রায় ২০০ জন অংশগ্রহণ করেন।পাশাপাশি ১৫ জন গবেষক তাঁদের গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু ও নিজস্ব গবেষণালব্ধ তথ্য উপস্থাপন করেন। গবেষকদের উপস্থাপনা সেমিনারের আলোচনাকে আরও সমৃদ্ধ করে।দিনভর আলোচনা ও গবেষণাপত্র উপস্থাপনের পর সমাপনী পর্বে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।