মেদিনীপুরে খুঁটি-তারের ঝামেলা শেষের পথে! মাটির নীচে যাবে তার, বরাদ্দ ১৭০ কোটি ২৮ লক্ষ

মেদিনীপুরে খুঁটি-তারের ঝামেলা শেষের পথে! মাটির নীচে যাবে তার, বরাদ্দ ১৭০ কোটি ২৮ লক্ষ
ছবি: সমাজ মাধ্যম থেকে নেওয়া।

নিজস্ব সংবাদদাতা :রাস্তার ধারে সারি সারি বিদ্যুতের খুঁটি আর মাথার উপর তারের জঞ্জাল—এই চেনা ছবিই এবার বদলাতে চলেছে মেদিনীপুর শহরে। সল্টলেক ও নিউ টাউনের ধাঁচে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মাটির নীচ দিয়ে বিদ্যুতের লাইন পাতার উদ্যোগ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের জন্য ১৭০ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেদিনীপুর শহরের বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত।বিধায়কের দাবি, আগামী দিনে দ্রুত এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। ঝড়-বৃষ্টি বা দুর্ঘটনার কারণে বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, তার ছিঁড়ে পড়ে এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হওয়া কিংবা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুর্ঘটনার মতো ঘটনা এড়াতেই এই উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা রাজ্য সরকারের নজরে আনা হয়েছিল।বিধায়ক শঙ্কর গুছাইতের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে রাজ্য সরকার প্রকল্পটির জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছে। তাঁর দাবি, মেদিনীপুর শহরের বিদ্যুৎ পরিষেবাকে আরও নিরাপদ ও আধুনিক করে তুলতে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।মাটির নীচে বিদ্যুতের তার চলে গেলে রাস্তার উপর দৃশ্যমান খুঁটি ও তারের জঞ্জাল অনেকটাই কমবে। ফলে একদিকে যেমন দৃশ্যদূষণ কমবে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ পরিষেবার নির্ভরযোগ্যতাও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।শহরের সৌন্দর্যায়ন, রাস্তা সম্প্রসারণ এবং নাগরিক পরিকাঠামোর উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্প নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। রাস্তার উপর বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের জট কমলে শহরকে আরও পরিকল্পিতভাবে সাজানোর সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁর বক্তব্য, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মেদিনীপুরকে আরও নিরাপদ, সুন্দর ও আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার পথ প্রশস্ত হবে। প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ করায় রাজ্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন তিনি।এখন নজর, কবে থেকে বাস্তবে প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং কত দ্রুত শহরের রাস্তা থেকে খুঁটি-তারের জঞ্জাল সরিয়ে বিদ্যুৎ পরিষেবাকে মাটির নীচে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।