সেখ ওয়ারেশ আলী : "পিতাই শ্রদ্ধা, মায়ের টান— সেই সন্তানই মানবতার প্রকৃত প্রাণ।" এই মানবিক দর্শনকে সামনে রেখে প্রয়াত মা স্বর্গীয়া সন্ধ্যারানী চ্যাটার্জীর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী এবং পিতা স্বর্গীয় ডা. তারক প্রসাদ চ্যাটার্জীর পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে একাধিক সমাজসেবামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।পুরুষোত্তম হোমিও বিকাশ ল্যাবরেটরি এবং আর এক্স অম্বেষণা প্রাইভেট লিমিটেড (আর এক্স অম্বেষণা হাসপাতাল)-এর কর্ণধার ডা. ত্রিনাথ চ্যাটার্জী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. প্রিয়াঙ্কা চ্যাটার্জীর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির, বস্ত্র বিতরণ এবং বিশেষ মানবিক সহায়তা কর্মসূচি।এই মানবিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. ত্রিনাথ চ্যাটার্জী, ডা. প্রিয়াঙ্কা চ্যাটার্জী, আফরিন জাবি-সহ পুরুষোত্তম হোমিও বিকাশ ল্যাবরেটরি এবং আর এক্স অম্বেষণা প্রাইভেট লিমিটেড-এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। মানবসেবার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

পুরুষোত্তম হোমিও বিকাশ ল্যাবরেটরির প্রাঙ্গণে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোগে রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এদিন পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে মোট ১০০ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। পাশাপাশি ১১০ জন দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেন ডা. ত্রিনাথ চ্যাটার্জী ও ডা. প্রিয়াঙ্কা চ্যাটার্জী।

তবে অনুষ্ঠানের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ ছিল এক দৃষ্টিহীন (ব্লাইন্ড) মেধাবী ছাত্রের সম্পূর্ণ শিক্ষার দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা। আর্থিক অনটনের কারণে যাতে ওই ছাত্রের পড়াশোনায় কোনও বাধা না আসে, সেই লক্ষ্যেই তার শিক্ষা-সংক্রান্ত সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যয়ভার বহনের অঙ্গীকার করেন আর এক্স অম্বেষণা প্রাইভেট লিমিটেড-এর কর্ণধার ডা. ত্রিনাথ চ্যাটার্জী। তিনি জানান, ছাত্রটির শিক্ষাজীবন থেকে ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান সর্বদা তার পাশে থাকবে।