Skip to content

বালি পাচারে ১৪৫ কোটির দুর্নীতি!

1 min read

নিজস্ব সংবাদদাতা : রাজ্যজুড়ে বহুল চর্চিত বালি পাচার মামলায় তৎপরতা বাড়াল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ধৃত ব্যবসায়ী অরুণ শরাফসহ অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারের ঠিক ৬০ দিনের মাথায় ব্যাংকশালের বিশেষ আদালতে চার্জশিট পেশ করল তারা। সূত্রের খবর, মোট ১৮ অভিযুক্তের নাম রয়েছে চার্জশিটে। । চার্জশিটে ১৮ অভিযুক্তের মধ্যে রয়েছে ১৪টি সংস্থার নামও। শনিবার জমা দেওয়া এই চার্জশিটে জিডি মাইনিংসহ মোট ১৪টি সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ইডির দাবি অনুযায়ী, এই দুর্নীতির জাল এতটাই বিস্তৃত যে প্রায় ১৪৫ কোটি টাকার তছরুপ হয়েছে। গত ৬ নভেম্বর ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অরুণ শারফ। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল ইডি। অভিযোগ, এই অরুণের সংস্থা ওয়েস্টবেঙ্গল স্যান্ড-মাইনিং-ট্রান্সপোর্ট-স্টোরেজ ও সেলে যা যা নিয়ম আছে, তার সব কিছুকে উপেক্ষা করে বালি তুলত। এরপর তা বিক্রি করত। বেআইনি ভাবে ব্যাপক অর্থ রোজগার করত এই সংস্থা। ১৪৫ কোটি টাকার মোট দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে। অরুণ ছাড়াও ইডির আধিকারিকরা চার কর্মীর নামে চার্জশিট জমা দিয়েছে। ৫৭ দিনের মাথায় পড়ল এই চার্জশিট।গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রথম বালিপাচার তদন্তে নামে ইডি। ওই দিন ইডি একযোগে ঝাড়গ্রাম ও বেহালায় অভিযান চালায় ইডি (ED Raid)। কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময়ই জিডি মাইনিংয়েও তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। ঝাড়গ্রামে গোপীবল্লভপুরে শেখ জহিরুল আলির বাড়িতে চলেছিল তল্লাশি। সুবর্ণরেখা নদী থেকে কোনও নিয়ম না মেনে দেদার বালি পাচারের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

Latest