Skip to content

দক্ষিণ এশিয়ায় দায়িত্বশীল AI-এর রূপরেখা গঠনে আইআইটি খড়গপুর, ইউনেস্কো মঞ্চে সুমন চক্রবর্তীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা!

নিজস্ব সংবাদদাতা : দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর ও দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বিশেষ ভূমিকা নিল আইআইটি খড়গপুর। ৫০ হাজারেরও বেশি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৪ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী নিয়ে দ্রুত বিকাশমান দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে ইউনেস্কোর উদ্যোগে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের নীতি-আলোচনা সভায় অংশ নেন বিশ্বের শীর্ষ শিক্ষাবিদ, নীতি নির্ধারক, শিল্প বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে আইআইটি খড়গপুরের প্রতিনিধিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী। তাঁর মূল বক্তব্যে তিনি “Meaningful AI” বা অর্থবহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারণাকে সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জনকল্যাণকে সমান গুরুত্ব দিয়েই দক্ষিণ এশিয়া ভবিষ্যতে বৈশ্বিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিতে পারে।অধ্যাপক চক্রবর্তী আজীবন শিক্ষার জন্য মডিউলার শিক্ষাব্যবস্থা, বহুভাষিক এআই ইকোসিস্টেমের বিকাশ এবং শিক্ষকদের বিকল্প নয়, বরং তাঁদের সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে এআই ব্যবহারের উপর জোর দেন।

পাশাপাশি তিনি যৌথ এআই সম্পদ গড়ে তোলা, সহযোগিতামূলক ডিজিটাল পরিকাঠামো নির্মাণ, নৈতিক শাসনব্যবস্থা প্রণয়ন, সামাজিক প্রভাবমুখী উদ্ভাবন এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে বৃহত্তর শিক্ষাগত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অধ্যাপক চক্রবর্তী বলেন, “মানবসভ্যতা কীভাবে বুদ্ধিমত্তার নতুন যুগকে গ্রহণ করবে, তার উত্তর শুধু প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলোতে নয়; বরং দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার, গ্রামীণ সমাজ এবং তরুণ প্রজন্মের চিন্তাভাবনার মধ্যেই নিহিত রয়েছে।আইআইটি খড়গপুরের এই অংশগ্রহণ দায়িত্বশীল ও মানবকেন্দ্রিক এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরও জোরালোভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।

Latest