নাশিক TCS কাণ্ডে নিদা খানের বড় ধাক্কা: অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তি নাকচ, ২৭ এপ্রিলে ভাগ্য নির্ধারণ!

নাশিক TCS কাণ্ডে নিদা খানের বড় ধাক্কা: অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তি নাকচ, ২৭ এপ্রিলে ভাগ্য নির্ধারণ!

নিজস্ব সংবাদদাতা : মহারাষ্ট্রের নাশিকের বহুল চর্চিত Tata Consultancy Services (TCS) মামলায় বড় ধাক্কা খেলেন অভিযুক্ত নিদা খান। আদালত তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। ফলে আপাতত কোনও আইনি স্বস্তি মিলছে না তাঁর। আগাম জামিনের আবেদনের শুনানি এখন আগামী ২৭ এপ্রিল নির্ধারিত হয়েছে।শনিবার নাশিক দায়রা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন নিদা খান। তাঁর আইনজীবী সেই আবেদনের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা চেয়ে আবেদন জানান। কিন্তু আদালত সেই আর্জি নাকচ করে জানিয়ে দেয়—আগাম জামিন ও অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তি, দু’টি বিষয়েই একসঙ্গে শুনানি হবে ২৭ এপ্রিল।এই মামলায় নিদা খানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে—ধর্মান্তরের চেষ্টা, সহকর্মী মহিলাদের যৌন হয়রানি এবং মানসিক নির্যাতন। নিজের আবেদনে খান উল্লেখ করেছেন, তিনি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা ধারাগুলির সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কম। তাঁর আইনজীবীর দাবি, অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন এবং অন্য নারীদের শালীনতা ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগও প্রযোজ্য নয়।নাশিকের পুলিশ কমিশনার সন্দীপ কার্নিক জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট আইটি সংস্থার ইউনিটে ধর্মীয় হয়রানির অভিযোগেই এই মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই গতি এসেছে—এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে সাতজন পুরুষ ও একজন মহিলা অপারেশনস ম্যানেজার রয়েছেন।এদিকে Tata Consultancy Services আগেই স্পষ্ট করেছে, নিদা খান একজন ‘প্রসেস অ্যাসোসিয়েট’—তিনি কোনওভাবেই এইচআর ম্যানেজার বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নন, যেমনটা কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খানকে খুঁজে বের করতে তিনটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি দল ইতিমধ্যেই মুম্ব্রায় পৌঁছেছে। পাশাপাশি একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করে নারী কর্মীদের ওপর শোষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরের চেষ্টা, শ্লীলতাহানি ও মানসিক নির্যাতন—সহ মোট নয়টি মামলার তদন্ত চলছে।অন্যদিকে, অভিযোগকারীর আইনজীবী লিখিত জবাব জমা দেওয়ার জন্য সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়েছে।সবমিলিয়ে, আগামী ২৭ এপ্রিলের শুনানিই এই বহুল আলোচিত মামলার পরবর্তী দিক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে।