Skip to content

আমাকেও একসময় ‘ব্যান’ করা হয়েছিল”—জয়ের পরই প্রতিশোধ নয়, বার্তা রুদ্রনীল ঘোষ-এর!

অভিজিৎ সাহা : ক্ষমতায় এসেও সংযমী সুর, কর্মক্ষেত্রে স্বাধীনতার আশ্বাস অভিনেতা-রাজনীতিকের! নির্বাচনে জয়ের পর নিজের কেন্দ্রে ফিরে সংযত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিলেন অভিনেতা-রাজনীতিক রুদ্রনীল ঘোষ। স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, অতীতে নিজেও ‘ব্যান’-এর শিকার হলেও, ক্ষমতায় এসে প্রতিশোধের রাজনীতি নয়—বরং কর্মক্ষেত্রে স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।হাওড়ায় জয়ের পর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস থাকলেও, বক্তব্যে ছিল মাপা সুর। গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যেই তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, অসন্তোষ এবং বঞ্চনার প্রতিফলনই দেখা গিয়েছে ভোটের ফলাফলে। তাঁর কথায়, “মানুষ ভেবেচিন্তেই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”টলিউড ও রাজনীতির যোগসূত্র প্রসঙ্গে তিনি সরাসরি উল্লেখ করেন পরিচালক ও প্রাক্তন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী-র নাম। ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক মতভেদের জেরে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি। রাজের উপর সাম্প্রতিক আক্রমণের ঘটনাকে সমর্থন না করলেও, সেটিকে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই দেখছেন রুদ্রনীল।‘ব্যান’ সংস্কৃতি নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, “আমাকেও একসময় কাজ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল, তখন কেউ পাশে দাঁড়াননি। তবুও আমি প্রতিশোধ নেব না।” তাঁর আশ্বাস, ভবিষ্যতে অভিনয় হোক বা সাংবাদিকতা—সব ক্ষেত্রেই যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ দেওয়া হবে, রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না।এছাড়াও সাম্প্রতিক এক বিতর্কিত মৃত্যুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর মৃত্যুর তদন্ত নতুন করে এগোনো হবে এবং আইনি প্রক্রিয়াতেই বিচার নিশ্চিত করা হবে।রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে রুদ্রনীল ঘোষের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রতিশোধ নয়, বরং স্বচ্ছতা ও পেশাগত স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতিই সামনে আনলেন তিনি।

Latest