নিজস্ব সংবাদদাতা : গবেষণাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যবহার ও আধুনিক গবেষণা-পদ্ধতির বিকাশকে সামনে রেখে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হল এক সপ্তাহব্যাপী ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (FDP) — “গবেষণায় AI-এর সংযোজন: উন্নত ফলাফলের জন্য গবেষণা-পদ্ধতির বিকাশ”। বিশ্ববিদ্যালয়ের IQAC-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচি চলবে আগামী ২৩ মে, ২০২৬ পর্যন্ত।IQAC-এর অধিকর্তা অধ্যাপক মধুমঙ্গল পালের স্বাগত ভাষণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তিনি বর্তমান সময়ে গবেষণা ও শিক্ষণ পদ্ধতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের উপর জোর দেন এবং এই ধরনের কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আজ গবেষণার সমস্যা নির্ধারণ, তথ্য বিশ্লেষণ এবং জ্ঞান বিতরণের পদ্ধতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছে। একইসঙ্গে AI ব্যবহারের ক্ষেত্রে নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার নতুন চ্যালেঞ্জও সামনে আসছে। তিনি সময়োপযোগী এই উদ্যোগের জন্য IQAC-কে অভিনন্দন জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন।বিজ্ঞান অনুষদের ডিন আন্তঃবিভাগীয় গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হয়ে উঠছে।গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) কোষের অধিকর্তা অধ্যাপক অজয় কুমার মিশ্র আধুনিক গবেষণাপদ্ধতিতে AI টুলস-এর ব্যবহার, তার সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, AI-ভিত্তিক গবেষণার কৌশল সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করলে গবেষক ও শিক্ষাবিদরা তাঁদের গবেষণার গুণমান ও প্রভাব আরও বাড়াতে সক্ষম হবেন।রেজিস্ট্রার ড. জে. কে. নন্দীর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অধিবেশন শেষ হয়। তিনি উপস্থিত অতিথি, বক্তা, আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।এই FDP-তে AI টুলস-এর মৌলিক ধারণা, গবেষণা-পদ্ধতি, গবেষণাক্ষেত্রে AI-এর সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা এবং গবেষণা ও প্রকাশনার নৈতিকতা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা এই কর্মসূচিতে বক্তৃতা প্রদান করবেন এবং অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন বলে জানা গেছে।