Skip to content

আবৃত্তি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, প্রকাশিত হল স্বাগতা পাণ্ডের ‘বাচিক’

নিজস্ব সংবাদদাতা : বিশিষ্ট আবৃত্তি শিল্পী তথা লেখিকা স্বাগতা পাণ্ডে-এর আরও একটি বই প্রকাশিত হলো। বই টি র নাম "বাচিক"। বইটি বঙ্গীয় সঙ্গীত পরিষদের আবৃত্তির সিলেবাস এর উপর লেখা ও সংকলন করা। এটি দ্বিতীয় খণ্ড। প্রথম খণ্ডটি বেরিয়েছে এই বছর অর্থাৎ ২০২৬ কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায়। বইটি প্রকাশনা করেছে লালমাটি পাবলিকেশন (কলেজ স্ট্রিট। কলকাতা)। এক সাদামাটা কিন্তু আন্তরিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থটি বঙ্গীয় সঙ্গীত পরিষদের আবৃত্তি বিভাগের পাঠ্যক্রম অনুসারে রচিত ও সংকলিত। চলতি বছর ২০২৬ সালের কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘বাচিক’-এর প্রথম খণ্ড, যেখানে আদ্য থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত আবৃত্তির সম্পূর্ণ সিলেবাস অন্তর্ভুক্ত ছিল। নবপ্রকাশিত দ্বিতীয় খণ্ডে স্থান পেয়েছে পঞ্চম থেকে সপ্তম বর্ষের পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যক্রম। বিশেষ তাৎপর্যের বিষয় হল, এই খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে আবৃত্তি শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় একাধিক দুষ্প্রাপ্য নাটক ও পাঠ্য উপাদান, যা দীর্ঘদিন ধরে সহজলভ্য ছিল না। ফলে আবৃত্তি চর্চার সঙ্গে যুক্ত ছাত্র-ছাত্রী, প্রশিক্ষক এবং অনুরাগীদের কাছে বইটি একটি মূল্যবান সংযোজন হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে বঙ্গীয় সঙ্গীত পরিষদের আবৃত্তি বিভাগের সূচনার পর থেকে সম্পূর্ণ সিলেবাসকে একত্রিত করে কোনো নির্দিষ্ট গ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি। সেই দিক থেকে ‘বাচিক’ গ্রন্থমালা আবৃত্তি শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ও ঐতিহাসিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বইটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি ও সঙ্গীতকার শুভ দাসগুপ্ত। কলেজ স্ট্রিটে লালমাটি পাবলিকেশনের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার নিমাই ড্রাই, বিশিষ্ট কবি-সাহিত্যিক, সংস্কৃতিপ্রেমী অতিথিবৃন্দ এবং লেখিকার ভাই কৌশিক পাণ্ডে। প্রসঙ্গত, লালমাটি পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত এটি স্বাগতা পাণ্ডের দ্বিতীয় গ্রন্থ। আবৃত্তি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং পাঠ্যক্রমকে সুসংহত করার ক্ষেত্রে ‘বাচিক’ দ্বিতীয় খণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের বিশিষ্টজনেরা।

Latest