Skip to content

নগদে ভোট কেনার ছক ভেস্তে গেল! মন্দিরবাজারে ১৭.৫ লক্ষ টাকা-সহ গ্রেফতার ২ বিজেপি কর্মী

নিজস্ব সংবাদদাতা: দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজারে নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। ডায়মন্ড হারবারের এই এলাকায় শনিবার সাড়ে ১৭ লক্ষ টাকা-সহ দুই বিজেপি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন খবরের ভিত্তিতে মন্দিরবাজারের কেশবেশ্বর শিব মন্দিরের কাছে নাকা চেকিং শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। সেই সময় একটি বাইকে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয় অর্ঘ্য পুরকাইত ও শুভদীপ হালদারকে।আটক দুই ব্যক্তির দাবি, তাঁদের কাছে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি এই টাকা গচ্ছিত রেখে উধাও হয়ে যায়। টাকা কোথা থেকে এল বা কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সে বিষয়ে তারা কিছুই জানে না বলেই জানিয়েছে পুলিশকে। তবে এই বয়ানে সন্তুষ্ট নয় তদন্তকারীরা। টাকার উৎস ও উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এদিকে, এই ঘটনায় সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, আটক দুই জনের একজন মন্দিরবাজারের বিজেপি প্রার্থী মল্লিকা পাইকের ইলেকশন এজেন্ট অরুণ কুমার পুরকাইতের পুত্র অর্ঘ্য পুরকাইত এবং অপরজন বিজেপির বুথ সভাপতি শুভদীপ হালদার। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করতে টাকা বিলোনোর পরিকল্পনাই ছিল বিজেপির।সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের তরফে কড়া ভাষায় লেখা হয়েছে, “হাতেনাতে ধরা পড়েছে বিজেপির ‘নোট দিয়ে ভোট’ কেনার নোংরা খেলা। পরাজয় নিশ্চিত জেনে টাকার বান্ডিল নিয়ে ময়দানে নেমেছে তারা।” পাশাপাশি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, বাংলার মানুষের ভোট কোনওভাবেই টাকায় কেনা সম্ভব নয়।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি শিবির। তাদের দাবি, গোটা ঘটনাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মিথ্যা রটনা।ভোটের মুখে এই নগদ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে মন্দিরবাজারে। শেষমেশ এই ঘটনার প্রভাব ব্যালট বাক্সে কতটা পড়ে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

Latest