Skip to content

মেদিনীপুরে পর্যটন উন্নয়নে জোর, রানি শিরোমণির গড় ঘুরে দেখলেন প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী

সেখ ওয়ারেশ আলী:পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী শনিবার মেদিনীপুর সফরে এসে জেলার পর্যটন ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সফরের শুরুতেই তিনি মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে পৌঁছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মেদিনীপুরের বিধায়ক শংকর গুছাইত-সহ প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক। বৈঠকে জেলার পর্যটন সম্ভাবনা, ঐতিহাসিক স্থাপত্য সংরক্ষণ, পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন দ্রুত সম্পন্ন করার উপর জোর দেন এবং পর্যটন বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে বিধায়ক শংকর গুছাইতকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিমন্ত্রী কর্ণগড়ের ঐতিহ্যবাহী মহামায়া মন্দিরে গিয়ে দেবীর পূজা-অর্চনা করেন। এরপর তিনি ঐতিহাসিক রানি শিরোমণির গড় পরিদর্শন করে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের চলমান কাজ খতিয়ে দেখেন। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন।পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রানি শিরোমণির গড়ের সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সম্পূর্ণ করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, রানি শিরোমণির বীরত্বগাথা ও গৌরবময় ইতিহাসকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি কর্ণগড়কে পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই রাজ্য সরকারের লক্ষ্য। সফরের শেষ পর্যায়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী রাজনৈতিক ইস্যুতেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "পূর্ববর্তী সরকারের লক্ষ্য ছিল না বাংলার উন্নয়ন; বরং উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করা। উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার না করে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানো হয়েছে।এর ফলে সাধারণ মানুষ নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। তাই এখন জনগণই তাদের উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে 'ডিম থেরাপি'-র মধ্য দিয়ে।"

Latest