"বিদ্যাসাগর স্মরণ"-মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থার উদ্যোগে জন্মদিবস পালন!

"বিদ্যাসাগর স্মরণ"-মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থার উদ্যোগে জন্মদিবস পালন!

নিজস্ব সংবাদদাতা :যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল প্রাতঃস্মরণীয় সমাজসংস্কারক পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৭তম জন্মদিবস। বুধবার, ১২ আশ্বিন (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থা, মেদিনীপুর টাউন আঞ্চলিক ইউনিটের উদ্যোগে দিনটি বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়।মেদিনীপুর শহরের ওল্ড এলআইসি মোড় সংলগ্ন বিদ্যাসাগরের পূর্ণাবয়ব মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। মহান সমাজসংস্কারক, নারীশিক্ষার অগ্রদূত, শিক্ষা সংস্কারক ও প্রশাসক এবং বিধবা বিবাহ প্রচলনের অন্যতম পথিকৃৎ বিদ্যাসাগরের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান সংগঠনের সদস্যরা।বিদ্যাসাগরের মূর্তিতে মাল্যদান করেন সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় খাটুয়া এবং মেদিনীপুর টাউন আঞ্চলিক ইউনিটের সহ-সম্পাদক সুদীপ কুমার খাঁড়া।এদিন পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানান ইউনিট সম্পাদক তারাপদ বারিক, সহ-সভাপতি সবিতা মান্না, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইন্দ্রদীপ সিনহা, ইউনিটের প্রাক্তন সহ-সভাপতি উত্তম কুমার রায়, সদস্য নারায়ণ প্রসাদ চৌধুরী, দেবাশীষ দোলই এবং সহ-কোষাধ্যক্ষ ডা. অরূপ কুমার দাস-সহ অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিদ্যাসাগর তাঁর ‘আত্মচরিত’ গ্রন্থে ১২ আশ্বিন দিনটিকে নিজের জন্মদিন হিসেবে উল্লেখ করে গিয়েছেন। সেই উল্লেখকে মান্যতা দিয়েই মেদিনীপুর সমন্বয় সংস্থার মেদিনীপুর টাউন আঞ্চলিক ইউনিটের পক্ষ থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ১২ আশ্বিন দিনটিকে বিদ্যাসাগরের জন্মদিবস হিসেবে পালন করা হয়।শিক্ষা, সমাজসংস্কার, নারীশিক্ষার প্রসার এবং বিধবা বিবাহ প্রচলনে বিদ্যাসাগরের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে অনুষ্ঠানে তাঁর আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়। বাংলা তারিখ অনুযায়ী আয়োজিত এই শ্রদ্ধানুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষেরও উপস্থিতি ছিল।