গান্ধী-শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকীতে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় স্তরের আলোচনা চক্র

গান্ধী-শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকীতে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় স্তরের আলোচনা চক্র

নিজস্ব সংবাদদাতা :মহাত্মা গান্ধীর ১৫৭তম এবং স্বাধীন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর ১২২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার, ২ অক্টোবর বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হল এক দিনের জাতীয় স্তরের আলোচনা চক্র। ‘দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নে গান্ধীজির ভাবনা’ শীর্ষক এই শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গান্ধী চর্চা কেন্দ্র। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সেমিনার হলে।সকাল সাড়ে ৮টায় গান্ধীজির প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধক ড. জয়ন্ত কিশোর নন্দী, গান্ধী চর্চা কেন্দ্রের ডিরেক্টর অধ্যাপক তপন কুমার দে, অধ্যাপক রমেশ চন্দ্র দাস, ড. নির্মল কুমার মাহাতো-সহ গবেষক-গবেষিকা, ছাত্রছাত্রী এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।আলোচনা চক্রে সূচক বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন নয়াদিল্লির Council for Social Development-এর অধ্যাপক নিত্যা নন্দ। পাশাপাশি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সুনীল রায় এবং বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সুজয় ঘোষ বক্তব্য রাখেন।বক্তারা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে গান্ধীজির চিন্তাভাবনা, তাঁর অহিংসা, স্বনির্ভরতা, পরিবেশভাবনা এবং সমাজ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারণার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। দীর্ঘস্থায়ী ও ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে গান্ধীজির দর্শন কীভাবে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে, তা নিয়েও মতবিনিময় হয়।আয়োজকদের বক্তব্য, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে উন্নয়ন ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য, সামাজিক ন্যায় এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রশ্ন ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গান্ধী চর্চা কেন্দ্রের ডেপুটি ডিরেক্টর ড. ইয়াসিন খান। অনুষ্ঠানের শেষে তিনিই আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। গান্ধী ও শাস্ত্রীর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এই আলোচনা চক্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও পড়ুয়াদের সক্রিয় অংশগ্রহণে দিনটি হয়ে ওঠে তাৎপর্যপূর্ণ।