সাধারণ মানুষ যখন ক্ষেপে যায়! চেয়ারে কেষ্ট, সামনে ভাঙচুর—হাতজোড় অনুব্রত!

সাধারণ মানুষ যখন ক্ষেপে যায়! চেয়ারে কেষ্ট, সামনে ভাঙচুর—হাতজোড় অনুব্রত!

অভিজিৎ সাহা : সিউড়িতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে তাণ্ডব, ভাঙচুরের ঘটনায় তিন যুবক আটক। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, একটি চেয়ারে বসে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর সামনেই টেবিল, চেয়ার, এসি ও জানলার কাচ ভাঙচুর করছেন কয়েকজন যুবক।ভিডিয়োয় অনুব্রতকে বলতে শোনা যায়, “আমার একটা কথা শোন…”। জবাবে এক যুবক তাঁকে থামিয়ে দিয়ে গত ১৫ বছর ধরে অত্যাচারের অভিযোগ তোলে। অন্য এক যুবককে অনুব্রতর কলার ধরে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, “লোকগুলোকে কেন মেরে এসেছিলে?” তাঁকে ‘গরুচোর’ বলেও কটাক্ষ করা হয় বলে ভিডিয়োয় দাবি করা হয়েছে।ভাঙচুরের সময় টেবিলের কাচ ছিটকে অনুব্রতর গায়েও লাগে। ঘটনায় তিনি সামান্য আহত হন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তাঁকে হাতজোড় করে অনুরোধ করতেও দেখা যায়। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় এসকর্ট ভ্যানে করে সিউড়ি ছাড়েন তিনি।

কেন এই হামলা? পুলিশের হাতে আটক হওয়া তিন যুবকের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর অনুগামীদের ‘অত্যাচারে’ তাঁরা ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, তাঁরা কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ওই যুবকদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান শোনা গিয়েছে।ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনার পর বীরভূমের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে হামলার পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে বিষয়ে এখনও পুলিশের তদন্তই চূড়ান্ত উত্তর দেবে।